১৩ই মে, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, ৩০শে বৈশাখ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ
নদীর তীর দখলমুক্ত করতে কার্যক্রম চলবে
প্রকাশিত : ডিসেম্বর ১০, ২০২০ ৬:১০ পূর্বাহ্ণ
আপডেট : October 05, 2020 8:47 pm

ডেস্ক রিপোর্ট: নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, করোনার কারণে নদীর তীর দখলমুক্ত করার কার্যক্রম ধীরগতিতে চলেছে। তবে এ কার্যক্রম ধারাবাহিকভাবে চলবে। নদীতীরের সীমানা চিহ্নিত করা হয়েছে। নদীর জায়গাও দখলমুক্ত করা হবে। গতকাল বুধবার ঢাকার শ্যামপুরে বিআইডব্লিউটিএর ভাসমান ডক পরিদর্শনের সময় এসব কথা বলেন তিনি। এ সময় অন্যদের মধ্যে বিআইডব্লিউটিএর চেয়ারম্যান কমডোর গোলাম সাদেক উপস্থিত ছিলেন।

প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী আরও বলেন, নদীর জায়গা দখল করে উন্নয়ন কর্মকাণ্ড পরিচালনা সরকার পছন্দ করে না। এভাবে কেউ দখল করে উন্নয়নের সুযোগ পাবে না। নদীতীর দখলমুক্ত করতে সঠিক পথে এগিয়ে যাচ্ছে সরকার।

গতকাল বুধবার শ্যামপুরে ভাসমান ডকে বিআইডব্লিউটিএর জাহাজ ‘ধ্রুবতারা’র আনডকিং করা হয়। এ জাহাজ দিয়ে অভ্যন্তরীণ এবং উপকূলীয় নৌপথের বিভিন্ন রুটে জাহাজ চলাচলের জন্য বয়া-বিকন স্থাপন ও প্রতিস্থাপনের কাজ করা হয়ে থাকে। ভাসমান এ ডকটি ১৯৬৭ সালে জার্মানিতে নির্মাণ করা হয় এবং ১৯৬৮ সালে বাংলাদেশে নিয়ে আসা হয়।

ভাসমান ডকে বিআইডব্লিউটিএর এবং অন্যান্য সংস্থার জলযানের জরুরি মেরামত কাজ সম্পন্ন করা হয়। প্রয়োজনে ভাসমান ডকটি মুভ করে অন্য স্থানেও জরুরি মেরামত কাজ করতে সক্ষম। ভাসমান ডকটি ২০০২ সালে বরিশাল থেকে নিয়ে এসে ঢাকার শ্যামপুরে স্থাপন করা হয়। ২০১০ সাল থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত এ ডকটিতে ৭৫টি জলযান ডকিং এবং আন-ডকিং করা হয়েছে। ভাসমান ডকটি বিআইডব্লিউটিএর একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা। সংবাদ বিজ্ঞপ্তি।